Prodipto Delwar: খেলা

Unordered List

ads

Hot

Post Top Ad

Your Ad Spot
খেলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
খেলা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২০

গিনেজ বুক অব রেকর্ডে বাংলাদেশের সকল রেকর্ড

১/২১/২০২০ ০৫:৫৮:০০ AM 0
গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসাবে রয়েছে। নিম্নে কিছু রেকর্ড নাম তুলে ধরলামঃ

১। দলীয় সম্মলিত রেকর্ডঃ
  • ২০১৪ সালের ২৬ মার্চ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন জন নিয়ে জাতীয় সংগীত (সোনার বাংলা) গাওয়ার রেকর্ড গড়ে ।
বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ

  • লাইফবয় হাত ধোয়ায় উৎসাহিত করতে ঢাকাতে ১১,১৭৫ জন মানুষের সমন্বয়ে বৃহত্তম হাতের আকৃতি তৈরি করে ১৪ অক্টোবর ২০১৭ গিনেস বুকে নাম লেখায়।[1]
  • ১১ ডিসেম্বর ২০০৪ পাঁচ মিলিয়ন মানুষের উপস্থিতিতে ১,০৫০ কি.মি. (৬৫২.৪ মাইল) মানব শিকল তৈরি করে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দল টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত এ মানব শিকল তৈরি করে।[2]
  • এক সারিতে একসঙ্গে ১,১৮৬ জন সাইকেল চালিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ঠাঁই পেয়েছে বাংলাদেশে সাইক্লিস্টদের অন্যতম বড় সংগঠন ‘বিডিসাইক্লিস্টস’। বিজয় দিবসে সংগঠনটি এই সাইকেল চালনার আয়োজন করেছিল।[3]
  • এ ব্যাপারে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষের দাবি,
  • ২০১৮ সালের ১৩ এপ্রিল নিবন্ধিত ১৫ হাজার ৩১৩ জন নগরবাসী একযোগে ঝাড়ু দিয়েছিল। যা এ পর্যন্ত বিশ্বের একক কোনও ভেনুতে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষের ঝাড়ু দেওয়ার রেকর্ড। এটা গিনেজ বুকে স্থান পেয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয় ।[4]
২। ব্যক্তিগত রেকর্ডঃ
  • জোবেরা রহমান লিনু ১৯৭৭ থেকে ২০০১ কাল-পরিধিতে ১৬ বার জাতীয় টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস- এ তার নাম উঠেছে।
  • সুদর্শন দাশ নামের এক বাঙালি ২০১৭ সালে ঢোল বাদক টানা ২৭ ঘণ্টা ঢোল বাজিয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড করেন।
  • আব্দুল হালিম ২০১৫ সালে ওয়ালটনের ব্যানারে ঢাকায় মাথায় বল নিয়ে দ্রুততম সময়ে স্কেটিং জুতা পরে ২৭.৬৬ সেকেন্ডে ১০০ মিটার অতিক্রম করে। ২০১৬ সালে গিনেজ বুক অব রেকর্ড এই স্বীকৃতি দেয়।।
  • আব্দুল হালিম মার্সেলের পৃষ্ঠপোষকতায় ২০১১ সালের ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ট্র্যাকে মাথায় বল নিয়ে টানা ১৫.২ কিমিঃ হেটে পূর্বের রেকর্ড ভেঙ্গে গিনেজ বুকে নাম লেখান।[5]
  • নোয়াখালীর কণক কর্মকার গিনেজ বুকে ৪ বার নাম লেখান।
    • ১ম বারঃ ১১৫০ টি প্লাস্টিকের গ্লাস এক মিনিট পাঁচ সেকেন্ড নিজের কপালে রেখে।[6]
    • ২য় বারঃ কপালে পঁচিশ মিনিট গিটার ব্যালেন্স করে দ্বিতীয়বার।[7]
    • ৩য় বারঃ ঘাড় দিয়ে এক মিনিটে ৩৬ বার ভলিবল ক্যাচ ধরে।[8] এবং
    • ৪র্থ বারঃ থুতনিতে ১৫ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড গিটার ব্যালেন্স করে।
    • গিনেস বুকে নাম লেখান।[9]
  • মাগুরার মাহমুদুল হাসান ফয়সাল সদ্য দুইবার নাম লেখান।
    • ১ম বারঃ ২০১৮ সালে হাতে এক মিনিটে ১৩৪ বার ফুটবল ঘুরিয়ে।[10]
    • ২০১৯ সালে এক মিনিটে ১৪৪ বার বাস্কেটবল ঘুরিয়ে গিনেস বুকে নাম লেখান।[11]
  • মাসুদ রানা ঢাকাতে একটি সুইমিং পুলে মাথার উপর ফুটবল নিয়ে ৪৪.৯৫ সেকেন্ডে ৫০ মিটার সাঁতার কেটে গিনেস রেকর্ড করেন।[12]
  • ইমরান শরীফ ঢাকার রাস্তায় কারও সহযোগীতা না নিয়ে, একাই ২.৫২৭ কিলোমিটার ( ৮,২৯০ ফুট ৮.১৯ ইঞ্চি ) লম্বা পেপার ক্লিপ দিয়ে সিকল (চে’ন) তৈরি করে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ গিনেস বুকে উঠে আসেন।[13]
৩। আজব রেকর্ডঃ
  • বগুড়ার রজব আলী ১১৫ বছর বয়সে মারা যাওয়ার সময় ৫০০+ নাতী নাতনী রেখে মারা গিয়েছিলো। গিনেজ বুক এই তথ্য রেকর্ড করে রেখেছে।
  • যুগপৎ বিয়েঃ নরেন্দ্র নাথ ও তারামণি নাথের পাঁচ মেয়েকে বিয়ে করেছেন তারাপদ কর্মকার ও রাধা রানী রায়ের পাঁচ ছেলে। তাদের এই বিরল চিন্তা ভাবনা তৈরি করেছে বিশ্বরেকর্ড।
  • খন্দকার শিহাব আহমেদ নামের এক ছাত্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্ট্যাপলার পিনের চেইন তৈরি করেছেন। যেটি ৪২২ ফুট ৪ ইঞ্চি লম্বা। ২৭ হাজার পিন ব্যবহার করে তৈরি এই চেইন বানাতে শিহাবের খরচ হয়েছে ২৭০ টাকা।[14]
  • সবচেয়ে কম বয়সী বিবাহিত দম্পতিঃ ১৯৮৬ সালে পাবনা জেলার আমিনপুর উপজেলার দু পরিবারের দ্বন্দ্ব মেটাতে ১১ মাসের এক ছেলের সাথে ৩ মাসের এক মেয়ের বিয়ে দেয়া হয়।


Read More

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯

লুডু খেলার সামগ্রিক ইতিহাস

১২/১৬/২০১৯ ০৩:৩১:০০ AM 0
লুডো বা লুডু ল্যাটিন শব্দ লদো থেকে উৎপত্তি হয়েছে। ল্যাটিন লদো শব্দের অর্থ আই প্লে বা আমি খেলি। লুডু শব্দের অর্থও আমি খেলি বা খেলা

লুডু খেলা ষষ্ঠ শতকের মেডিভাল যুগের একটি খেলা। হিন্দি পাসিচি বা বাংলা পাশা খেলা থেকে এই লুডু খেলার উৎপত্তি। এই খেলায় ২ জন থেকে ৪ জন মিলে খেলা করা যায়।

চিত্রঃ প্রাচীন পাসিচি খেলার কোড

লুডু খেলায় এই ছকের উপর ডাইস বা ছক ছেড়ে দিতে হয়, সেখানে বিভিন্ন নাম্বার উঠে এবং সেই নাম্বার অনুসারে খেলা সামনের দিকে আগাতে থাকে। এই ডাইসের ইতিহাস খুবই পুরাতন। সম্প্রতি ফক্স নিউজের প্রতিবেদন অনুসারে ডাইস প্রাচীন রোমান সভ্যতার নিদর্শন। ২৪০০-২৫০০ খ্রিস্ট পূর্ব সালের দিকে রাইন নদীর তীরে রোমান সৈন্যদের একটি ঘাটি ছিলো। সেইখানে ডাইসের সন্ধান পাওয়া যায় ২০১৬ সালে।

চিত্রঃ একটি দুর্গের মধ্যে প্রাপ্ত রোমান সভ্যতার ডাইস

প্রাচীনকালে দন্ড ডাইস দিয়ে পাসিচি খেলা হতো, ১৮৯৬ সালে ইংল্যান্ডে লোকজন দণ্ড আকৃতির ডাইস বাদ দিয়ে ঘনাকৃতির ডাইসের প্রবর্তন ঘটায় সেখান থেকেই লুডু খেলার উৎপত্তি। এরপর ইংল্যান্ডের রয়েল ন্যাভি এটাকে বর্তমান রূপ উস্কার্স রুপের বোর্ড গেমে রুপান্তরিত করে। এটাই বর্তমান লুডু খেলা। মুঘল সম্রাট আকবর নিজেও লুডু খেলেছেন। লুডু খেলা সারা বিশ্বে চললেও আমাদের উপমহাদেশে সর্বোচ্চ জনপ্রিয় একটি খেলা।
Read More

Post Top Ad

Your Ad Spot