Prodipto Delwar: ইসলাম

Unordered List

ads

Hot

Post Top Ad

Your Ad Spot
ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইসলাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০১৯

মাইকেল জ্যাকশন কি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন? দেখুন প্রমান সহ বিস্তারিত

১২/২০/২০১৯ ০৭:২৭:০০ PM 0

২৫ জুন’০৯ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন পপ সিংগার মাইকেল জ্যাকসন। তার ইসলাম গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কেননা মিডিয়ায় গুজব রটলেও তিনি ছিলেন নিরব।
২০০৮ সালের শেষের দিকে প্রথম দ্য সান সংবাদ মাধ্যম তার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের খবর প্রচার করে। এই খবর প্রচারের পর সারা বিশ্বের সকল মিডিয়া ঢালাও ভাবে এই সংবাদ শেয়ার করে। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে যায় মাইকেল জ্যাকশন ইসলাম গ্রহণ করেছে।
মাইকেল জ্যাকশন-পপ সিংগার

দ্য সান মিডিয়া জানান, তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছেন এবং নতুন নাম গ্রহণ করেছেন "মিকাইল"। বাহরাইনে আরবদের সাথে তোলা বিভিন্ন ছবিতে তার আরবীয় পোষাক পরিধান বিষয়টিকে আরো জোরদার করে তুলে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার যে জ্যাকসন নিজে কখনো এরূপ ঘোষণা দেননি, এমনকি মিডিয়ায় এই সংবাদ ছড়ানোর পরেও পক্ষে-বিপক্ষে মতামত দেননি।
মাইকেল জ্যাকশনের মৃত্যুর পর কীভাবে তার দাফন করা হয় এটা নিয়েও বিশ্বের তার ভক্ত ও দর্শকগণের মধ্যে উদ্বেগ ছিলো। তাঁর মৃত্যুর দুই সপ্তাহ পর ৭ জুলাই"০৯ লস্ এঞ্জেলসের স্টাপল সেন্টারে তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া এবং হত্যা না আত্নহত্যা এটা পরীক্ষা জন্য তার লাশ কবর থেকে তুলে ৩ সেপ্টেম্বর’ ০৯ ক্যালিফোর্নিয়ার ফরেস্ট লোন মেমোরিয়াল পার্কে পুনরায় কবরস্থ করা হয় এই পুরো ব্যপারটায় দাফন কার্য গোপনিয়তার সঙ্গে করা হয়। তাই সঠিকভাবে জানা যায়না তিনি ইসলাম গ্রহণের করেছেন কি করেননি।
তবে তার বড় ভাই ও ব্যান্ড পার্টির জারমেইন জ্যাকসন ১৮৮৯ সালে ইসলাম গ্রহণ করেন। এবং জ্যাকশনের আইনজীবী মার্ক সাফারও ইসলাম গ্রহণ করেন।[1]
তবে মাইকেল জ্যাকশন ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে পজিটিভ ছিলেন, তিনি হয়তো ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন
যেমন ১৯৮৯ সালে একটি প্রেস কনফারেন্সে মাইকেল বলেছিলেন, ‘আমি ইসলামকে আমার ভাইয়ের মধ্যে দেখেছি। আমি ইসলাম সম্পর্কে বই-পত্রও পড়েছি এবং কোন একদিন ইসলামের এই প্রশান্তি, স্থিরতার মাঝে নিজের অনুভূতিতে একান্তভাবে পেতে ইচ্ছা করি।’
কিন্তু পরবর্তীতে তার জীবনে অনেক ঝর-ঝাপ্টা নেমে আসে। এছাড়াও প্রিয় বন্ধু ক্যাট স্টিভেন্স, (ইনিও পরে ইসলাম গ্রহণ করেন), জীবনের শেষ দিকের কিছু সময় এর সাথে কাটান।
দক্ষিণ আফ্রিকার আরেক প্রখ্যাত মুসলিম সঙ্গীতশিল্পী জাইন ভিখার সাথেও এ সময় তার বন্ধুত্ব হয়, যিনি Give Thanks to Allah শিরোনামে একটি গান রচনা করেন।

তবে মাইকেল জ্যাকশনের ইসলাম গ্রহণ নিয়ে উৎসাহী হওয়ার কিছু নেই। কেননা তার জীবনের সামগ্রিক কাজ কখনোই ইসলাম সমর্থিত নয়।
Read More

২০৭০ সালে ইসলাম হবে সর্ববৃহৎ ধর্ম, নাস্তিক ও খ্রিষ্টান অনুসারিরা কমে যাবে

১২/২০/২০১৯ ০৯:৫৫:০০ AM 0
বর্তমানে বিশ্বে খ্রিষ্টান ৩৩%, মুসলিম ২৩%, হিন্দু ১৩%। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক পিউ রিসার্চ সেন্টার গবেষণা মতে বর্তমানে সবচেয়ে বর্ধনশীল ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। 

২০৫০ সাল নাগাদ ইসলাম ধর্ম খ্রিষ্টান ধর্মের সমসংখ্যক হয়ে যাবে এবং ২০৭০ সালের মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম ধর্ম হবে ইসলাম। তখন মুসলিম হবে মোট জনসংখ্যার আনুমানিক ৩৫%। বর্তমানে মুসলিম সংখ্যা বৃদ্ধির হার পৃথিবীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার থেকে বেশী।


পিউ সেন্টার বলছে, বর্তমান বিশ্বে নাস্তিকদের সংখ্যা রয়েছে ১৬%, কিন্তু আগামী ২০৭০ সালে নাস্তিকদের সংখ্যা কমবে, তখন পৃথিবীতে নাস্তিকদের সংখ্যা দাঁড়াবে মোট জনসংখ্যার ১৩%।
২০৭০ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধর্ম হবে ইসলাম

———————————————————————————————————————

কোন দেশে কতজন ইসলাম গ্রহণ করছে এটা বলা মুশকিল। তবে ইসলাম কীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তার পরিসংখ্যান দেখুন।
পিউ গবেষণা সেন্টার বলছে, ২০১০ সালে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১৬০ কোটি যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ২৩ ভাগ। ২০৫০ সালে খ্রিস্টান ও মুসলিম জনসংখ্যা হবে প্রায় সমান সমান প্রায় ২৮০ কোটি বা মোট জনসংখ্যার ৩০ ভাগ। এরপর ২০৭০ সালে খ্রিস্টানদের ছাড়িয়ে যাবে মুসলিম জনসংখ্যা।
এরমানে সারা বিশ্বে ৬০ বছরে মুসলিম বৃদ্ধি পাচ্ছে বা পাবে (২৮০-১৬০) কোটি= ১২০ কোটি। তারমানে গোটা বিশ্বে প্রতি বছরে দুই কোটি মুসলিম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বুঝুন তাহলে কীভাবে মানুষ ইসলামের দিকে ঝাপিয়ে পরছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রে এই ৬০ বছরে ১০ কোটি মানুষ ইসলাম গ্রহণ করবে ধারণা করছে পিউ গবেষণা।
——————————————————————————————————————-

২০৭০ সাল নাগাদ খ্রিষ্টান ধর্মের বৃদ্ধি পাবে ৩৭% এবং ইসলাম ধর্ম বৃদ্ধি হবে ৭৩%। এখন দেখা যাক কোন দেশে কেমন বৃদ্ধি পাবে।
ভারতেঃ
পিউ রিসার্চ সেন্টারের দাবি ২০১০ সাল পর্যন্ত জনসংখ্যার দিক থেকে শীর্ষ ছিলো ইন্দোনেশিয়া। কিন্তু ২০৫০ সালে সেই জায়াগা দখলে নেবে ভারত। সেই সময় দেশটির মুসলিম জনসংখ্যা দাঁড়াবে ৩১ কোটি ১০ লাখ, কিন্তু তখনো দেশটি হিন্দু সংখ্যা গরিষ্ঠ থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রেঃ
গত দশ বছরে ১০ লক্ষ মুসলিম বৃদ্ধি পেয়েছে। তারমানে প্রতি এক বছরে এক লক্ষ মুসলিম বৃদ্ধি পাছে যুক্তরাষ্ট্রে। ২০৪০ সালের মধ্যেই আমেরিকায় ইহুদীদের ছাড়িয়ে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম হবে ইসলাম। পিউ রিচার্স সেন্টারের দাবি, ২০৫০ সালের মধ্যে চার কোটি মানুষ খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করবে ঠিকই কিন্তু খ্রিস্টান ধর্ম থেকে ধর্মান্তরিত ইসলাম গ্রহণ করবে সাড়ে ১০ কোটি।
ইউরোপ মহাদেশেঃ
ইউরোপের মোট জনসংখ্যার ১০% হবে মুসলিম। ব্রিটেনে ও ফ্রান্সে খ্রিষ্টান অনুসারী কমে যাবে প্রায় ৫০%।
আফ্রিকা মহাদেশেঃ
আর সাব-সাহারা আফ্রিকায় প্রতি ১০ জনে ৪ হবে মুসলিম।
—————————————————————————————————————-

পিউ গবেষণা প্রতিবেদন করেছে, ২০১০ সালে বিশ্বের ১৫৯টি দেশই ছিল খ্রিস্টান প্রধান। ২০৫০ সাল নাগাদ এই সংখ্যা আটটি কমবে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। এবং ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের মুসলিম প্রধান দেশের সংখ্যা আরো দুটি বেড়ে দাঁড়াবে ৫১টিতে। নাইজেরিয়া ও মেসিডোনিয়া হবে মুসলিম প্রধান দেশ।

এছাড়াও অভিবাসন নীতি গবেষণা মতে দেখুনঃ
পিউ রিসার্চ সেন্টার ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮টি রাষ্ট্র ও নরওয়ে এবং সুইটজারল্যান্ডের উপর অভিবাসন নীতি গবেষণা চালিয়ে বলেছেন,
ইউরোপে বর্তমানে মুসলমানদের উচ্চ অভিবাসন চলছে। পিউ রিসার্চ সেন্টার বলছে অভিবাসন যদি এখনই শূণ্যে নামিয়ে আনা হয়, তারপরও ইউরোপের মুসলিম জনসংখ্যা বর্তমানের ৪.৯% বেড়ে ৭.৪% বাড়বে। আর যদি অভিবাসনের উচ্চ হার অব্যাহত থাকে, তাহলে মুসলিম জনসংখ্যা হবে ১৪ শতাংশের বেশি।
সুইডেনে ২০১৬ সালে মুসলিমদের সংখ্যা ছিল মোট জনসংখ্যার ৮.১%। কিন্তু পিউ গবেষণা সেন্টার মতে, ২০৫০ সাল নাগাদ সুইডেনে মুসলিমরা হবে মোট জনসংখ্যার ৩০% শতাংশ। অর্থাৎ সুইডেনের জনসংখ্যার প্রায় এক তৃতীয়াংশ।
Read More

বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯

এশিয়া মহাদেশে মুসলমানদের উপর বৃহত্তম কিছু গণহত্যা ও নির্যাতন

১২/১৯/২০১৯ ০৫:১৩:০০ AM 0
দেশে দেশে বিভিন্ন সময়ে হাজার হাজার মুসলিমদের হত্যা করা হয়েছে। আর এভাবেই ইসলামের প্রসার ও মুসলমানদের বিস্তার ঘটেছে। আমি প্রাচীনকাল বাদ দিয়ে শুধু সাম্প্রতিককালে তাও আবার শুধুমাত্র এশিয়া মহাদেশের কিছু মুসলমানদের গণহত্যার চিত্র তুলে ধরবো।


১। চীন দ্বারা মুসলিম গণহত্যাঃ
১৮৬০ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত চিনা মুসলিমরা কিং সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে সাধারণ নাগরিক বিদ্রোহ করে যেটা দুনগান বিদ্রোহ নামে পরিচিত। এই বিদ্রোহে তারা ব্যর্থ হয় এবং তাদের ১.৩ কোটি জনগণের মধ্যে ৭০ লক্ষ মানুষ গৃহহারা হয়েছিলো। এবং চীনা সাম্রাজ্যের অত্যাচারের ফলে ১.২ কোটি হুই জনগণ ও চীনা জনগণ মারা গিয়েছিলো। "মুসলিমদের ধুয়ে ফেলা" নাম দিয়ে এই মিশন পরিচালিত হয়েছিলো।

চিত্রঃ দুনগান বিদ্রোহে সম্পর্কে শিল্পীর একটি কল্পনা
১৭৬৫ সালে কিং রাজবংশের রাজা মাঞ্চুস এর পুত্র ও তার কর্মচারীরা উইঘুরের মুসলিমদের ধর্ষণ করতো প্রতিনিয়ত। কেননা তাদের যুক্তি ছিলো তাদের নারী মাংশ খেতে পছন্দ। এরপর উইঘুরের জনগণ প্রতিবাদি হয়ে উঠলে মাঞ্চু সম্রাটের আদেশে উইঘুরের পুরুষদের গণহত্যা করা হয় এবং তার সেনাবাহিনী অবাধে উইঘুরের নারীদের ঘর্ষণ করতে থাকে। এবং সমস্ত মুসলিম নারী ও শিশুদের দাস ও যৌনকর্মী বানিয়েছিলো। গণহত্যার পরিমাণ এতো পরিমাণ ছিলো যে, মাঞ্চু সরকার কর্তৃক ১ কোটি মানুষ মারা গিয়েছিল।


২। ভারত দ্বারা মুসলিম হত্যাঃ
ভারতে ১৯৫৪ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত ৬৯৩৩ টি সংঘর্ষে ১০,০০০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এবং ২০০৩ সাল পর্যন্ত এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২৬০০০ হয়ে যায়। আর যদি ১৯০০ সালের পর থেকে হিসাব করা যায় তাহলে মুসলিম হত্যার সংখ্যা কয়েক লক্ষ ছাড়িয়ে যায় বলে দাবী করছে মুসলমানগণ। বড় বড় কিছু হত্যাকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে।



৩। রাশিয়া-আর্মেনিয়া দ্বারা গণহত্যাঃ
রাশিয়ায় কাজান বিজয়ের পরে ১৫৫২ সালে বহু ইসলামিক স্কলারকে নির্যাতন করা হয়েছিলো।
এরপর রাশিয়ান আলেকজান্ডার সুভোরভ ১৭৯১ তৎকালীন একটি হামলার পরে ঘরে ঘরে, ঘরে ঘরে চাপ দেওয়া হয়েছিল এবং শহরের প্রায় প্রতিটি মুসলিম পুরুষ, মহিলা এবং শিশু মারা গিয়েছিল তিন দিনের অনিয়ন্ত্রিত গণহত্যায়, ৪০,০০০ তুর্কি মারা গিয়েছিল, কয়েকশকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল।
১৯১৯ সালে রাশিয়া এবং আর্মেনীয়া কতৃক বহু মুসলমানকে তুর্কি ও কুর্দি মুসলমানদের হত্যা করেছিল। আজমির, মনিসায় ব্যপক গনহত্যা, ধর্ষণ, নৃশংসতার স্বীকার হয়েছিলো মুসলিমরা ইতিহাস সাক্ষী ঐ সময় প্রায় ২৫০ গ্রাম চালিয়ে দেওয়া হয়েছিলো।

চিত্রঃ কাজান যুদ্ধের সময় মুসলিমরা মসজিদ আক্রমণ ঠেকাচ্ছে।


৪। জাপান দ্বারা গণহত্যাঃ

আরাকানে অত্যাচার
জাপান সাম্রাজ্য বাহিনী ১৯৪২ সালে আরাকান রাজ্যে রোহিঙ্গা মুসলমানদের গণহত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন করে এবং কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে ব্রিটিশ ভারতের বাংলায় বহিষ্কার করে। এই সময়কালে, প্রায় ২,২০,০০০ রোহিঙ্গা সহিংসতা থেকে বাঁচতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলায় ব্রিটিশ ভারতের সাথে মিশে যায়। এরপর ৪০,০০০ রোহিঙ্গা শেষ পর্যন্ত বার্মিজ ও জাপানি বাহিনীর দ্বারা গণহত্যার পরে চট্টগ্রামে পালিয়ে যায়।
চায়নাতে অত্যাচার
ব্রিটিশ বার্মার একটি চীনা মুসলিম শহর প্যাংলং জাপানি হানাদার বাহিনী আক্রমণে পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছিল। ২০০ এর বেশী পরিবার পালিয়ে গেছিলো শহর ছেড়ে।

চিত্রঃনানজিংয়ে জাপানিরা ধর্ষণের পর হত্যার একটি দৃশ্য
দ্বিতীয় চীন-জাপানি যুদ্ধের সময় নানজিংয়ে জাপানিরা "হত্যার নীতি" হিসাবে অভিহিত হয়ে অনুসরণ করেছিল এবং অনেক মসজিদ ধ্বংস করেছিল। ওয়ান লেয়ের মতে, জাপানিরা ১৯৪২ সালের এপ্রিলের মধ্যে ২২০ টি মসজিদ ধ্বংস করে দিয়েছিল এবং অগণিত হুই মানুষকে হত্যা করেছিল।" নানজিংয়ের নানকিং মসজিদের ধর্ষণের পরে মৃতদেহ ভরা দেখা গেছে। তারা আরেকটি নীতি অনুসরণ করেছিলো ইচ্ছাকৃত অপমানের নীতি। তারা স্থানীয় নারীদের তাদের যৌনদাসী বানিয়েছিলো।


৫। মায়ানমার মুসলমান নিধনঃ
মিয়ানমারে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ রয়েছে। মিয়ানমারে মুসলিম সংখ্যালঘু বেশিরভাগ রোহিঙ্গা জনগণ প্রথমদিকে, ধর্মীয় কারণে মুসলমানদের উপর বৌদ্ধ নির্যাতন শুরু হয়েছিল এবং এটি ১৫৫০-১৫১৫ পূর্ব খ্রিস্টাব্দের রাজা বায়েননাংয়ের রাজত্বকালে ধর্মের নামে পশু নিধনকে ও ইসলাম ধর্মের কুরবানিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। ১৮ শতকে হালাল খাবারও রাজা আলাউংপায়ার দ্বারা নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

চিত্রঃ বাংলাদেশের কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে রোহিঙ্গা মুসলমানরা, অক্টোবর 2017,
এরপর ১৯৬২ সালে যখন জেনারেল নে উইন জাতীয়তাবাদের ক্ষমতায় এলেন, মুসলমানদের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গেছিলো। মুসলমানদের সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং দ্রুত প্রান্তিককরণ করা হয়েছিল। ১৯৭৮ সালে আরাকানের কিং ড্রাগন অভিযানের ফলে ১৯৯৮ সালে ২ লক্ষ এবং ১৯৯১ সালে ২,০০,০০০ ২ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশ ও ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে।
২০১২ সালে একটি বহুল প্রচারিত বার্মিজ সংঘাত ছিল রাখাইন রাজ্য সংঘর্ষের একটি সিরিজ যা মূলত উত্তর রাখাইন রাজ্যে জাতিগত রাখাইন বৌদ্ধ এবং রোহিঙ্গা মুসলিম জনগণকে জড়িত করেছিল। এই দাঙ্গার ফলে আনুমানিক ৯০,০০০ মুসলিম বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
এবং সবশেষে ২০১৬ সালের দিকে প্রচুর পরিমাণে রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে থাকে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য।


৬। বসনিয়ায় গণহত্যাঃ
বসনিয়ায় ১৯৪৫ সালে ঐ দেশের কমিউনিস্ট সয়ারকার কতৃক বসনিয়ায় প্রায় ১ লক্ষ সাধারণ মুসলমানদের হত্যা করা হয়েছিলো, যা ইতিহাসের বৃহত্তম গনহত্যা নামে পরিচিত।



Read More

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৯

মৃত পশু হারাম হলেও মৃত মাছ হারাম কেন? -ইসলামিক প্রশ্নোত্তর

১২/১২/২০১৯ ০৬:২৪:০০ PM 0
আমরা জানি, মৃত কোন প্রাণীর মাংশ ভক্ষন করা আমাদের ইসলাম ধর্মে জায়েজ নেই। এজন্য অনেকে প্রশ্ন তুলতে পারে কেন মৃত প্রাণীতে ক্ষতিকর দিক থাকলে মৃত মাছেও ক্ষতিকর দিক রয়েছে।

আসুন জেনে নিই আসল ঘটনা, কেন মৃত মাছ ইসলামে জায়েজ?

স্থলভাগের সব প্রাণীই বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং শারীরিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। যখন কোনো প্রাণীকে জবাই করা হয়, তখন তার বিষাক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড রক্তের সাথে বের হয়ে যায়। কিন্তু যখন ওই প্রাণীকে শ্বাসরোধ করে মারা হয় বা তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়ে যায় তখন ওইসব প্রাণীর বিষাক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড ও রক্ত দেহের ভেতরেই মাংসের সাথে মিশে যায়। যা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সেকারণেই এসব মৃত প্রাণীর মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ।

অন্যদিকে মাছ পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে, যা কার্বন ডাই অক্সাইড মুক্ত। কেননা মাছ পানি (H2O) থেকে শুধু অক্সিজেন বিশ্লিষ্ট করে গ্রহণ করে এতে কোন কার্বন থাকেনা, এবং শারীরিক প্রক্রিয়ার পরেও কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন হয়না। সুতরাং স্বাভাবিকভাবে মাছের মৃত্যু হলেও তার ভেতর ক্ষতিকর কোন উপাদান থাকে না। তাই মৃত মাছ খাওয়া স্বাস্থ্যের ক্ষতিকর নয়।
মৃত মাছ

কুরআনে বলা হয়েছে,
  • তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত পশু - সূরা মায়েদাহঃ (৫:৩)
  • তোমাদের জন্য সমুদ্র শিকার ও তা খাওয়া হালাল করা হয়েছে - সূরা মায়েদাহ (৫:৯৬)

হাদিসে বলা হয়েছে,
হযরত ইবনে উমর(রা) হতে বর্ণিত। রাসূলাল্লাহ(সা) বলেনঃ আমাদের জন্য দু’প্রকার মৃত জন্তু এবং দু’প্রকার রক্ত ভক্ষণ করা হালাল করা হয়েছে। মৃত জন্তু হলো মাছ ও পংগপাল। আর রক্ত হলো কলিজা এবং প্লীহা। - (ইবনে মাজাহ)

Read More

শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

তাবেয়ীদের নামের তালিকা পরিচিতি ও জীবন কাহিনী

৯/১৪/২০১৯ ১২:৩৮:০০ AM 1
তাবেয়ী (আরবী تابعى ) শব্দটি ইসলামী পরিভাষার ব্যবহৃত আরবী শব্দ । তাবেয়ী দ্বারা রাসুল (সঃ) এর সঙ্গী অর্থাৎ সাহাবাদের সাথে দেখা পাওয়া ঈমানদার ব্যাক্তিদের বুঝানো হয় । তাবেয়ীদের মধ্যে অনেক ইসলাম জ্ঞানী ব্যাক্তি রয়েছেন যারা ইসলাম ধর্মের প্রচার ও প্রসার ঘটিয়েছেন ।

তাবেয়ীদের নামের তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত


সংজ্ঞা[উৎস সম্পাদনা]

তাবেয়ী ঐ ব্যাক্তিকে বলা যাবে যিনি ঈমান গ্রহন অবস্থায় কোন সাহাবাকে দেখেছেন,তাঁর সাথে কথা বলেছেন বা তাঁর থেকে শিক্ষা গ্রহন করেছেন এবং ঈমান অবস্থায় মৃত্যু বরন করেছেন । তাবেয়ী হচ্ছেন- যারা নবুয়তি যুগের পরে এসেছেন রাসুল (সঃ) কে দেখেননি কিন্তু সাহাবায়ে কেরামের সঙ্গ পেয়েছেন যদিও ঐ ব্যক্তি রাসুল (সঃ) যুগেই জন্ম গ্রহন করেছেন ।
ইসলামের বিভিন্ন মনিষী তাবেয়ীর সংজ্ঞা এভাবে উপস্থাপন করেছেনঃ
১। উলুমুল হাদিস এর পরিভাষায়- তাবেয়ী হচ্ছেন: যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন তিনি তাবেয়ী। বিশুদ্ধ মতানুযায়ী, এর জন্য দীর্ঘদিনের সঙ্গ শর্ত নয়। অতএব, যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন এবং ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করেছেন তিনিই তাবেয়ী। তাবেয়ীর মধ্যে উত্তমতার স্তরভেদ রয়েছে।
২। হাফেয ইবনে হাজার (রহঃ) ‘নুখবাতুল ফিকার’ (৪/৭২৪) গ্রন্থে বলেন: তাবেয়ী হচ্ছেন- যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন।
৩। ইবনে কাছির (রহঃ) বলেন: খতিব আল-বাগদাদী বলেন: তাবেয়ী হচ্ছেন যিনি রাসুল (সঃ) নবুয়তের পরে জন্ম গ্রহন করেছেন এবং তাঁর সাহাবীর দেখা পেয়েছেন ।
৪। হাকেমের বক্তব্যের দাবী হচ্ছে- যিনি সাহাবীর সাক্ষাত পেয়েছেন তাকে তাবেয়ী বলা যাবে। সাহাবীর থেকে শিক্ষা লাভ না করে থাকে ।

তাবেয়ীদের মর্যাদা[উৎস সম্পাদনা]

তাবেয়ীদের সন্মান ও মর্যাদা সম্পর্কে বিভিন্ন হাদিস পাওয়া পাওয়া যায় । [১]
১। ইমাম বুখারী (৩৬৫১) ও ইমাম মুসলিম (২৫৩৩) হতে বর্ণিত, ইবনে মাসউদ থেকে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “সর্বোত্তম মানুষ হচ্ছে- আমার প্রজন্ম। এরপর যারা আসবে তাঁরা । এরপর যারা আসবে তাঁরা । অতঃপর এমন কওম আসবে যাদের সাক্ষ্য হলফের পিছনে, হলফ সাক্ষ্যের পিছনে ছুটাছুটি করবে।”
২। সহিহ বুখারির ৩৩৯৯ নং হাদিসে বর্নিত রয়েছেঃ
عن أبي سعيد رضي اللّٰه عنه،عن النبيّ صلى اللّٰه عليه وسلم،قال:يأتي على الناس زمان يغزون،فيقال لهم:فيكم من صحب الرسول صلى اللّٰه عليه وسلم،فيقولون نعم،فيفتح عليهم،ثم يغزون،فيقال لهم هل فيكم من صحب من صحب الرسول صلى اللّٰه عليه وسلم؟فيقولون نعم،فيفتح لهم
হযরত আবু সাইদ (রা) থেকে বর্ণিত,রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লাম বললেন, লোকদের নিকট এমন যুগ আসবে যে,তারা যুদ্ধ করবে,তখন তাদের বলা হবে,তোমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তিও কি আছেন,যিনি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লামের সাঙ্গ পেয়েছেন?তখন তারা বলবেন হ্যাঁ।তখন (সাহাবাদের বরকতের দরুন)তাদেরকে বিজয় দেয়া হবে।তারপর তারা জিহাদ করবেন,তখন তাদের বলা হবে তোমাদের মধ্যে এমন ব্যাক্তি কি আছেন,যিনি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লামের সাহাবাদের সহচর্য পেয়েছেন?তখন তারা বলবেন হ্যাঁ।তখন তাদেরকে বিজয় দিয়ে দেয়া হবে।

বিশিষ্ট তাবেয়ীগন[উৎস সম্পাদনা]

ইসলামের অন্ত্যন্ত মূল্যবান ব্যক্তিবর্গ হচ্ছেন তাবেয়ীগন । অনেক ইসলাম ধর্মের মনিষী রয়েছে এর মধ্যে । কিছু নাম উল্লেখ্যঃ [২] [৩]

  • আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রহঃ)
  • আব্দুল্লাহ ইবনে মুহায়রিজ

তাবেয়ী প্রজন্ম[উৎস সম্পাদনা]


১। বিশুদ্ধ মতানুযায়ী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রজন্ম হচ্ছে-সাহাবায়ে কেরাম। দ্বিতীয় প্রজন্ম হচ্ছে- তাবেয়ীগণ। তৃতীয় প্রজন্ম হচ্ছে- তাবে-তাবেয়ীগণ। [ইমাম নববী রচিত সহিহ মুসলিমের ব্যাখ্যাগ্রন্থ (১৬/৮৫) থেকে সমাপ্ত]
২। হাফেয ইবনে হাজার বলেনঃ হাদিসের বাণী: “রাসুল (সঃ) প্রজন্মের যারা তাঁরা হচ্ছেন "সাহাবীগণ" । এদের পরে যারা তারা হচ্ছেন- "তাবেয়ীগণ" । এরপর তাদের পরে যারা তারা হচ্ছেন- "তাবে-তাবেয়ীগণ" । ফাতহুল বারী (৭/৬) থেকে সমাপ্ত।
৩ । সুয়ুতী বলেন: প্রজন্ম বিশেষ কোন সময়সীমাতে আবদ্ধ নয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রজন্ম হচ্ছে- সাহাবায়ে কেরাম। নবুয়তের শুরু থেকে সর্বশেষ সাহাবীর মৃত্যু পর্যন্ত ১২০ বছর এই প্রজন্মের সময়কাল ।এরপর তাবেয়ী-প্রজন্মের সময়কাল ১০০ হিঃ থেকে ৭০ বছর পর্যন্ত ।এরপর আর তাবে-তাবেয়ী প্রজন্মের সময়কাল এরপর থেকে শুরু ২২০ হিঃ পর্যন্ত। মিরকাতুল মাফাতিহ’ (৯/৩৮৭৮) গ্রন্থ থেকে সমাপ্ত।

লেখকঃ
Islamic University,Bangladesh... 
লেখাটা উইকিপিডিয়াতেও পাবেন  (তাবেয়ী)

তথ্যসূত্র[উৎস সম্পাদনা]









Read More

Post Top Ad

Your Ad Spot